:

৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে থাকছে সশস্ত্র বাহিনী

top-news

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী, দুই পর্বে সারা দেশে মোতায়েন করা হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে, যা আজ বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

মাঠপর্যায়ে মোতায়েন পরিকল্পনা: নিরাপত্তা পরিকল্পনাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

প্রথম পর্ব: বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে মোতায়েন রয়েছে, তারা তাদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।

দ্বিতীয় পর্ব (ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা): আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত—মোট ৭ দিন পূর্ণ শক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। এই সময়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে নির্বাচনী এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীগুলো সক্রিয় থাকবে।

পরিপত্র অনুযায়ী, নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। জেলা-উপজেলা ও থানা পর্যায় বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকা কোস্টগার্ড নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।

সব বাহিনী সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তাঁর নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের বিন্যাস পরিবর্তন করতে পারবেন।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হবে। পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র‍্যাবের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই সেল কাজ করবে।

এছাড়া, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ একটি বিশেষ টিম গঠন করে এই সেলের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া মাত্রই এই টিম তা সংশ্লিষ্ট এলাকার সমন্বয় সেল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পাশাপাশি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যৌথ বাহিনী অভিযান চালাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *