:

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় ভাতৃপ্রতিম বিভন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ ৩২টি দেশের কূটনিতীক

top-news

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় ভাতৃপ্রতিম বিভন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ ৩২টি দেশের কূটনিতীকরা অংশ নিয়েছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নিতে বারিধারা কূটনৈতিক এলাকা ত্যাগ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানেরা।

বুধবার দুপুর ২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজায় যোগ দেন তারা।

জানাজায় অংশ নিতে যাওয়া কূটনীতিকদের মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ অন্তত ৩২ জন কূটনীতিক ও প্রতিনিধি রওনা হয়েছেন।

আরও গেছেন রাশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত একাতেরিনা সেমেনোভা, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা সিনচি, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো সিগফ্রিড রেংলি।

এ ছাড়া নেদারল্যান্ডস, লিবিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ফিলিস্তিন, দক্ষিণ কোরিয়া, মিয়ানমার, ইতালি, সুইডেন, স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ব্রাজিল, মরক্কো, ইরান, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, কাতার, ডেনমার্ক ও মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা জানাজায় অংশ নিচ্ছেন।

কূটনীতিকদের পাশাপাশি বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সিমোন লসন পার্চমেন্টও জানাজায় অংশ নিতে রওনা হয়েছেন। এ ছাড়া কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রফিকুল ইসলামও জানাজায় শরিক হন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে  বুধবার সকাল থেকেই রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দলে দলে মানুষ জড়ো হতে শুরু করে।

সকাল ৭টা থেকেই বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ লোকজন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আসতে থাকেন। ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে নেতাকর্মীরা আসছেন।

 দুপুর ২টায় খালেদা জিয়ার জানাজা   

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে রয়েছেন।

জানাজাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনুষ্ঠানস্থলের আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে।  এ ছাড়া খালেদা জিয়ার প্রয়াত স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর এলাকায় প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে।

সরকার ঘোষণা দিয়েছে যে খালেদা জিয়াকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।  জানাজাস্থলে কুরআন তেলাওয়াত হচ্ছে।  আশপাশের এলাকায় মাইক বসানো হয়েছে। 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় পৃথকভাবে এ বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেন তারা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে জানাজায় অংশ নিতে পারেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় পৃথকভাবে এ বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেন তারা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে জানাজায় অংশ নিতে পারেন।

আজ সকালে খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে তার পুত্র তারেক রহমানের বাসভবনে নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি ফ্রিজিং ভ্যানে করে তার মরদেহ গুলশানে নেওয়া হয়।  

গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মারা যান খালেদা জিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *